মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ মে ২০২১

পরিচিতি

বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।

১৯৬৮ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে অটোমেটিক পিকচার ট্রান্সমিশন (APT) গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপিত হয়। ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রথম Earth Resources Technology Satellite (ERTS) উৎক্ষেপণের পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তি গবেষণার লক্ষ্যে ERTS প্রোগ্রাম এবং মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল গবেষণা কেন্দ্র (SARC) চালু করা হয়। পরবর্তীতে ERTS ও SARC থেকে পর্যায়ক্রমে ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়। ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১৯ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য স্পারসো পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৮ সালের ৭ ডিসেম্বর স্পারসো’র ‘Tropical Ecosystem Management’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার উদ্বোধন করেন।

স্পারসোর নীতি নির্ধারণ ও পরিচালনার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাবান হলো স্পারসো বোর্ড। সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত। ১৬ টি কারিগরি বিভাগ ও ৫ টি সহায়ক শাখা এবং সাভারে অবস্থিত ১ টি আঞ্চলিক দূর অনুধাবন কেন্দ্রের (RRSC) সমন্বয়ে স্পারসোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ভিশন:

মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জন এবং শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন তথা জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা।  

মিশন:  

  • মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে নিজস্ব সক্ষমতা অর্জন এবং প্রাকৃতিক   দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান;
  •  দেশে মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিকাশে দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ।

Share with :

Facebook Facebook